এক নিশুতি রাত। বৃষ্টিতে ভিজে ভেজা কাকের মত একাকী পথ চলছে অনন্যা। কাঁধে একটি ট্রাভেল ব্যাগ। হাজীগঞ্জের অদূরে বলাখাল রেল স্টেশনে নেমে স্টেশন মাস্টারের সাহায্য চেয়েছিলো সে। কিন্তু স্টেশন মাস্টার অযথা উপদ্রব ভেবে কোনো কথাই বলেনি তার সাথে। অগত্যা নিজেই ধরেছে নিজের পথ। এরই মধ্যে হঠাৎ শুরু হলো বৃষ্টি, মুষলধারে। পথের কাছাকাছি কোনো বাড়ি নেই যে, একটু আশ্রয় নেবে সে। মাইলখানেক চলার পর হঠাৎ দেখা গেলো অনতিদূরে একটা লণ্ঠনের আলো। বাড়ি হবে হয়তো সেটা। আশার ভেলা বাঁধলো সে। হাঁ যা, বাড়িই। বিশাল, তবে ভাঙ্গা-চোরা। পরিত্যক্ত প্রাচীন জমিদার বাড়ির মতো। উঠোনে একজন যুবক। হাতে একটা লণ্ঠন। গুনগুন গান গেয়ে ছাতা মাথায় কোলাব্যাঙের মতো হিসি করছে সে। অনন্যাকে দেখতে পায়নি। লোকটা প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে পেছনে ফেরে এবং ভয় পেয়ে যায় অনন্যাকে দেখে। তোতলাতে থাকে। আ... আ... আপ.... নি.... কে..কে....? আমি মানুষ। স্মিত হাসে অনন্যা। এতো রাতে এই মুষলধারে বৃষ্টি উপেক্ষা করে এতোটা পথ পেরিয়ে এসেছে সে। এতোটুকুও ভয় পায়নি। কিন্তু নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় একজন ...
জীবনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়ে গল্প